- Start>Run>Regedit টাইপ করে এন্টার চাপুন।
- এবার HKEY_LOCAL_MACHINE > SOFTWARE > Microsoft > Windows NT > CurrentVersion > Winlogon এ ক্লিক করুন।
- এবার ডান দিক থেকে LegalNoticeCaption এ ডাবল ক্লিক করুন। মেসেজ এর Caption যা হবে তা টাইপ করুন।
- এবার ডান দিক থেকে LegalNoticeText এ ডাবল ক্লিক করুন। আপনি কি মেসেজ দিতে চান তা এর মধ্যে টাইপ করুন।
- আমি এখানে আমার স্ক্রীন সট দিলাম ।
- এবার কম্পিউটার রিবুট করুন আর এফেক্ট দেখুন।
মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৩
Welcome Screen-এ যুক্ত করুন নিজস্ব মেসেজ
* কেন ব্যাবহার হচ্ছে “বিজয় চিহ্ন রাবা 4” *
“বিজয় চিহ্ন রাবা 4”
১. মিশরে মুসলিম ব্রাদারহুডের ইসলাম পুনরুদ্ধার আন্দোলন নতুন ভাবে যাত্রা
শুরু করে মুলত “রাবেয়া স্কয়ারে”। রাবেয়া শব্দটি আরবী, যার অর্থ হলো – ৪ বা
চতুর্থ। সারা বিশ্বের মুসলমান এবং মুসলিম ব্রাদারহুডের বিশ্বাস, এই রাবেয়া
স্কয়ার থেকে শুরু হওয়া আন্দোলনের মাধ্যমেই মিশরে ইসলাম পুনরুদ্ধার হবে,
ইনশা আল্লাহ। তাই বিক্ষোভের সময়ই এই “বিজয় চিহ্ন রাবা 4 ” ব্যাবহার শুরু
করে মুসলিম ব্রাদারহুড । তাঁদেরকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে
টুইটারে এই চিহ্ন সবাইকে ব্যাবহারের আহবান জানান তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী
রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান।
২. মুহাম্মদ মুরসী হলেন মিশরের ইতিহাসে
চতুর্থতম প্রেসিডেন্ট। জামাল আব্দুন নাসের, আনোয়ার সাদাত এবং হোসনি
মোবারকের পরই তাঁর স্থান। তাই মিশরের ইতিহাসে গনতান্ত্রিকভাবে নিরবাচিত ১ম
প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁকে স্বরণ রাখতেই এই চিহ্নের ব্যাবহার।
৩. তাহরীর স্কয়ারের মুরসী বিরোধী আন্দোলনে ২ আঙ্গুল দিয়ে সেক্যুলারদের
ব্যাবহ্রিত বিজয় চিহ্ন “V” থেকে নিজেদেরকে পৃথক রাখতে মুসলিম ব্রাদারহুড
রাবেয়া স্কয়ারের আন্দোলনে ৪ আঙ্গুল দিয়ে বিজয় চিহ্ন “রাবা 4” ব্যাবহার করে।
৪. মিশরের রাবেয়া স্কয়ারে সেনাবাহীনী পরিচালিত পৃথিবীর ইতিহাসের অন্যতম
জঘন্য গণহত্যা “অপারেশন রাবা” তে জীবন উৎসর্গকারী শহীদদেরকে স্বরণ রাখতে এই
“রাবা 4” চিহ্ন ব্যাবহার করা হচ্ছে। আসুন ইসলাম রক্ষার আন্দোলনে মুসলিম
ব্রাদারহুডের সাথে সম্পূর্ণ একাত্মতা পোষণ করে আমরাও মুসলিম উম্মার নতুন
“বিজয় চিহ্ন রাবা 4” ব্যাবহার করি।
আশা করি সবার ভালো লেগেছে ।
ফেসবুক আসক্তি থেকে মুক্তি দিবে কিবোর্ড
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই।আশা করি ভালই আছেন।আমরা অনেকেই ফেসবুক বা অন্য কোনো সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ব্যাবহার করে থাকি। কিন্তু অনেকের কাছেই এটা এক
রকম নেশার মত।
ফেসবুক বা অন্য কোনো সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীদের আসক্তি থেকে মুক্তি দিতে পারে কিবোর্ড। সম্প্রতি ম্যাসাচুসেটস গবেষকেরা এ কিবোর্ড তৈরিতে কাজ করছেন। গবেষকেরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত সময় ধরে ফেসবুক ব্যবহার করলে ফেসবুক বিদ্যুত্ শক দেয়া শুরু করবে এবং বারবার বিরক্ত করবে।
গবেষক রবার্ট মরিস ও ড্যান ম্যাকডাফ বলেছেন তাঁরা সপ্তাহে প্রায় ৫০ ঘণ্টা পর্যন্ত ফেসবুকে সময় নষ্ট করতেন। এই আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে তাঁরা নতুন পদ্ধতির কিবোর্ড তৈরির পরিকল্পনা করেন।
গবেষক রবার্ট মরিস ও ড্যান ম্যাকডাফ বলেছেন তাঁরা সপ্তাহে প্রায় ৫০ ঘণ্টা পর্যন্ত ফেসবুকে সময় নষ্ট করতেন। এই আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে তাঁরা নতুন পদ্ধতির কিবোর্ড তৈরির পরিকল্পনা করেন।
অ্যাপ্লিকেশন বা কোনো ওয়েবসাইটে অতিরিক্ত সময় কাটানোর বিষয়টি হিসেব করে কিবোর্ড এবং অতিরিক্ত সময় পার হলেই বিদ্যুতের শক। কিবোর্ডের বিদ্যুৎ পরিবাহী ধাতব ধারগুলোয় নির্দিষ্ট পরিমাণ বিদ্যুৎ শক পরিবাহিত হয়। অবশ্য এ শক বিপদজনক কিছু নয়। এতে হয়তো ফেসবুকের অতি আসক্তি থেকে মুক্তি মিলতে পারে।
ভালো লাগলে কমেন্ট করুন।
ভালো লাগলে কমেন্ট করুন।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)




