রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

ব্লগের প্রায়শই জিজ্ঞাসা করা প্রশ্নাবলী

 শুরু করা

১.কীভাবে আমি কোন ব্লগার অ্যাকাউন্ট তৈরি করব?

ব্লগার হোমপৃষ্ঠাতে, "এখনই আপনার ব্লগ তৈরি করুন" ক্লিক করুন, এবং একটি Google অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন৷ মনে রাখবেন আপনি যদি আগে orkut, Google গোষ্ঠিসমূহ, Gmail, এবং অন্যান্য Google পণ্য ব্যবহার করে থাকেন তাহলে, আপনার ইতিমধ্যেই একটি Google অ্যাকাউন্ট থাকতে পারে - যদি এমন হয় তাহলে, এগিয়ে যান এবং শুধুমাত্র সাইন ইন করুন৷ তারপরে, আপনার প্রদর্শন নাম চয়ন করুন এবং ব্লগারের পরিষেবার শর্তাবলী স্বীকার করুন৷ একবার এগুলি সব সেট হয়ে গেলে, আপনি ব্লগিং শুরু করার জন্য প্রস্তুত!
বইটি পেতে এখানে ক্লিক করুন ।  


২.কীভাবে আমি কোন ব্লগার ব্লগ তৈরি করব?

একবার আপনি একটি ব্লগার অ্যাকাউন্ট তৈরি করার পরে, www.blogger.com-এ সাইন ইন করুন এবং "একটি ব্লগ তৈরি করুন"-এ ক্লিক করুন৷ পদক্ষেপ 2-এ, আপনার ব্লগের জন্য একটি নাম ও ঠিকানা (URL) লিখুন৷ আপনি সত্যিই যে একজন ব্যক্তি তা প্রমাণ করার জন্য শব্দ যাচাই বক্সে বর্ণগুলি টাইপ করুন, এবং "অবিরত" ক্লিক করুন৷ তৃতীয় পদক্ষেপে, আপনি নিজের ব্লগের জন্য একটি টেম্পলেট চয়ন করতে পারেন; এটি এভাবে আপনার পাঠকদের কাছে উপস্থিত হবে৷ তারপরে ব্লগার আপনার নতুন ব্লগ তৈরি করে, যা আপনার পদক্ষেপ 2-এ চয়ন করা ঠিকানাতে হাজির হয়৷


৩.কীভাবে আমি নিজের ব্লগে পোস্ট করব?

আপনার ড্যাশবোর্ডে, আপনি যেখানে ব্লগ প্রকাশ করতে চান তার পাশে “নতুন পোস্ট" ক্লিক করুন৷ আপনার পোস্টকে একটি শিরোনাম (ঐচ্ছিক) দেওয়া দিয়ে শুরু করুন এবং তারপর পোস্টটিকেই প্রবেশ করুন৷ আপনি শেষ করার পরে, প্রকাশিত হলে এটি কেমন দেখাবে তার পূর্বরূপ দেখতে "পূর্বরূপ"-এ ক্লিক করুন৷ আপনার পোস্ট সম্পর্কে আপনি একবার সন্তুষ্ট হলে, “প্রকাশ" ক্লিক করুন৷

৪.কীভাবে আমি ছবি পোস্ট করব?

পোস্ট সম্পাদক সরঞ্জামদণ্ডটিতে ছবির আইকনটি ব্যবহার করে আপনি ফটোগুলি আপলোড করতে পারেন৷ আপনি যখন এই আইকনটি ক্লিক করেন, তখন এমন একটি উইন্ডো আপনি পাবেন যা আপনাকে নিজের কম্পিউটার থেকে একটি ছবি বা একাধিক ছবি নির্বাচনের অনুমতি দেয়৷ আপনি যেটি চান সেটি খুঁজে পেতে খালি “ব্রাউজ" ক্লিক করুন৷ অন্যভাবে, আপনার পোস্টে প্রবেশ করাতে আপনি ইতিমধ্যে অনলাইন রয়েছে এমন কোন ছবির URL প্রবেশ করাতে পারেন৷ কোন সজ্জা চয়ন করতে, যদি আপনি লিঙ্কটিতে ক্লিক করেন, আপনি নিজের পোস্টে উপস্থিত হওয়ার পদ্ধতিটি অনুকূল করে তুলতে পারেন৷ ছবির চারপাশে আপনার পোস্টটি কীভাবে ছড়িয়ে যাবে তা বাম, মধ্য এবং ডান বিকল্পগুলি নির্ধারণ করবে৷ আকারের বিকল্পটি পোস্টিং ক্ষেত্রের মধ্যে ছবিকে ভিন্ন ভিন্ন মাপে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেয়৷


৫.আমার প্রোফাইলে আমি কীভাবে ফটো যুক্ত করব?

প্রথমে, আপনার ড্যাশবোর্ডে “প্রোফাইল সম্পাদনা করুন" লিঙ্কটি ক্লিক করুন৷ "ফটোগ্রাফ" বিভাগে স্ক্রোল ডাউন করুন, যেখানে আপনি নিজের কম্পিউটার থেকে কোন ফাইল চয়ন করতে অথবা চিত্রটি অনলাইনে পাওয়া গেলে সেটির URL লিখুন৷ দয়া করে নোট করুন যে ছবিটি যেন অবশ্যই আকারে 50k বা তার কম হয়৷

৬.আমার ব্লগের শিরোনাম কোথায় উপস্থিত হয়?

আপনার ব্লগারের শিরোনাম, যেভাবে ব্লগারে সেটিংস | বুনিয়াদি ট্যাবে সেট আছে, একাধিক স্থানে হাজির হতে পারে: আপনার প্রকাশিত ব্লগে, আপনার ড্যাশবোর্ডে, এবং আপনার প্রোফাইলে৷ তাই নিশ্চিত হয়ে নিন যে এটি সৃজনশীল!

 ৭.কোন URL আসলে কী?

কোন URL হল ওয়েবে কোন ফাইলের ঠিকানা, যেমন www.example.com, অথবা foo.example.com৷ ব্লগ তৈরি প্রক্রিয়া চলাকালীন, আপনাকে নিজের ব্লগের জন্য একটি URL নির্বাচন করতে হবে৷ দর্শকরা নিজেদের ব্রাউজারে এই URLটি টাইপ করে আপনার ব্লগে অ্যাক্সেস করতে পারে৷ যেহেতু আগে থেকেই অসংখ্য Blogspot ব্লগ আছে তাই আপনাকে সৃজনশীল হতে হবে এবং উপলভ্য অন্য একটি খুঁজে পাওয়ার আগে কয়েকটি আলাদা URL-এর সম্ভাব্য চেষ্টা করতে হবে৷ আপনার URL-এর ফর্ম্যাটটি হবে nameyouchoose.blogspot.com৷ আপনার ব্লগের URL নির্বাচনের সময়, মনেরাখবেন আপনি কেবল বর্ণ, সংখ্যা, এবং হাইফেন ব্যবহার করতে পারেন৷ বিশেষ অক্ষর যেমন, $, #, &, ইত্যাদি অনুমতি প্রাপ্ত নয়৷

আপনি নিজের ব্লগকে কোন কাস্টম ডোমেন-এও হোস্ট করতে পারেন৷আপনার অ্যাকাউন্ট এ।

বইটি পেতে এখানে ক্লিক করুন ।  

ফেসবুক পেজ    

শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

ওয়েব ডিজাইন শিখুন !!!

ওয়েব ডিজাইন শিখবেন !!!
১. HTML
2.CSS
3.PHP
4.JAVA SCRIPT
তাহলে যোগাযোগ করুন> Gmail

মঙ্গলবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৩

Welcome Screen-এ যুক্ত করুন নিজস্ব মেসেজ

  1. Start>Run>Regedit টাইপ করে এন্টার চাপুন।
  2.  এবার HKEY_LOCAL_MACHINE > SOFTWARE > Microsoft > Windows NT > CurrentVersion > Winlogon এ ক্লিক করুন।
  3.  এবার ডান দিক থেকে LegalNoticeCaption এ ডাবল ক্লিক করুন। মেসেজ এর Caption যা হবে তা টাইপ করুন।
  4.   এবার ডান দিক থেকে LegalNoticeText এ ডাবল ক্লিক করুন। আপনি কি মেসেজ দিতে চান তা এর মধ্যে টাইপ করুন।
  5. আমি এখানে আমার স্ক্রীন সট দিলাম ।
      
  6.   এবার কম্পিউটার রিবুট করুন আর এফেক্ট দেখুন। 
      পোস্টি ভালো  লাগলে ও কমেন্ট করে  জানাবেন  না লাগলে ও জানাবেন । 

* কেন ব্যাবহার হচ্ছে “বিজয় চিহ্ন রাবা 4” *

 “বিজয় চিহ্ন রাবা 4”

১. মিশরে মুসলিম ব্রাদারহুডের ইসলাম পুনরুদ্ধার আন্দোলন নতুন ভাবে যাত্রা শুরু করে মুলত “রাবেয়া স্কয়ারে”। রাবেয়া শব্দটি আরবী, যার অর্থ হলো – ৪ বা চতুর্থ। সারা বিশ্বের মুসলমান এবং মুসলিম ব্রাদারহুডের বিশ্বাস, এই রাবেয়া স্কয়ার থেকে শুরু হওয়া আন্দোলনের মাধ্যমেই মিশরে ইসলাম পুনরুদ্ধার হবে, ইনশা আল্লাহ। তাই বিক্ষোভের সময়ই এই “বিজয় চিহ্ন রাবা 4 ” ব্যাবহার শুরু করে মুসলিম ব্রাদারহুড । তাঁদেরকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে টুইটারে এই চিহ্ন সবাইকে ব্যাবহারের আহবান জানান তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান।


২. মুহাম্মদ মুরসী হলেন মিশরের ইতিহাসে চতুর্থতম প্রেসিডেন্ট। জামাল আব্দুন নাসের, আনোয়ার সাদাত এবং হোসনি মোবারকের পরই তাঁর স্থান। তাই মিশরের ইতিহাসে গনতান্ত্রিকভাবে নিরবাচিত ১ম প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাঁকে স্বরণ রাখতেই এই চিহ্নের ব্যাবহার। 


৩. তাহরীর স্কয়ারের মুরসী বিরোধী আন্দোলনে ২ আঙ্গুল দিয়ে সেক্যুলারদের ব্যাবহ্রিত বিজয় চিহ্ন “V” থেকে নিজেদেরকে পৃথক রাখতে মুসলিম ব্রাদারহুড রাবেয়া স্কয়ারের আন্দোলনে ৪ আঙ্গুল দিয়ে বিজয় চিহ্ন “রাবা 4” ব্যাবহার করে।


৪. মিশরের রাবেয়া স্কয়ারে সেনাবাহীনী পরিচালিত পৃথিবীর ইতিহাসের অন্যতম জঘন্য গণহত্যা “অপারেশন রাবা” তে জীবন উৎসর্গকারী শহীদদেরকে স্বরণ রাখতে এই “রাবা 4” চিহ্ন ব্যাবহার করা হচ্ছে। আসুন ইসলাম রক্ষার আন্দোলনে মুসলিম ব্রাদারহুডের সাথে সম্পূর্ণ একাত্মতা পোষণ করে আমরাও মুসলিম উম্মার নতুন “বিজয় চিহ্ন রাবা 4” ব্যাবহার করি।
 আশা করি সবার ভালো লেগেছে  ।

ফেসবুক আসক্তি থেকে মুক্তি দিবে কিবোর্ড

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। 
আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই।আশা করি ভালই আছেন।আমরা অনেকেই ফেসবুক বা অন্য কোনো সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ব্যাবহার করে থাকি। কিন্তু অনেকের কাছেই এটা এক

রকম নেশার মত।

ফেসবুক বা অন্য কোনো সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীদের আসক্তি থেকে মুক্তি দিতে পারে কিবোর্ড। সম্প্রতি ম্যাসাচুসেটস গবেষকেরা এ কিবোর্ড তৈরিতে কাজ করছেন। গবেষকেরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত সময় ধরে ফেসবুক ব্যবহার করলে ফেসবুক বিদ্যুত্ শক দেয়া শুরু করবে এবং বারবার বিরক্ত করবে।
 গবেষক রবার্ট মরিস ও ড্যান ম্যাকডাফ বলেছেন তাঁরা সপ্তাহে প্রায় ৫০ ঘণ্টা পর্যন্ত ফেসবুকে সময় নষ্ট করতেন। এই আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে তাঁরা নতুন পদ্ধতির কিবোর্ড তৈরির পরিকল্পনা করেন। 



অ্যাপ্লিকেশন বা কোনো ওয়েবসাইটে অতিরিক্ত সময় কাটানোর বিষয়টি হিসেব করে কিবোর্ড এবং অতিরিক্ত সময় পার হলেই বিদ্যুতের শক। কিবোর্ডের বিদ্যুৎ পরিবাহী ধাতব ধারগুলোয় নির্দিষ্ট পরিমাণ বিদ্যুৎ শক পরিবাহিত হয়। অবশ্য এ শক বিপদজনক কিছু নয়। এতে হয়তো ফেসবুকের অতি আসক্তি থেকে মুক্তি মিলতে পারে।
ভালো লাগলে কমেন্ট করুন।